নিয়মিত ব্যায়াম শুধুমাত্র সিক্স প্যাক বা মডেল ফিগারের জন্যই নয়, সুস্থতার জন্যও প্রয়োজন। অনেকেই ব্যায়াম করার জন্য জিমে গিয়ে থাকেন।
যারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নতুন জিমে ভর্তি হবেন বা ঘরেই কিছু মেশিন কিনে ব্যায়াম করবেন, তাদের জন্য কিছু পরামর্শ:
শারীরিক অবস্থাআপনার লাইফস্টাইল, অসুস্থতা এসবের ওপর নির্ভর করে বর্তমান শারীরিক অবস্থা কেমন তা আগে জেনে নিন। এরপর ঠিক করুন কোন ব্যায়াম করবেন আর শরীরের কোন অংশে কতটুকু চাপ নেবেন।

ট্রেডমিল টেস্ট
প্রতিটি ভালোমানের জিমে যখন আপনি ভর্তি হতে যাবেন, আপনাকে প্রথমে ট্রেডমিল টেস্ট দিতে হবে। মানে ট্রেডমিলে দু’কিলোমিটার হাঁটার পর আপনার হার্টের ফিটনেস পরীক্ষা করা হবে। যদি বাড়িতে নিজে নিজে ব্যায়াম করতে চান তবে একজন বিশেষজ্ঞের কাছে ট্রেডমিল টেস্ট দিয়ে নিন।

সক্ষমতা
শরীরের ওপরের ও নিচের দিকের সক্ষমতা কেমন এটাও আগেই দেখে নিতে হবে। একসঙ্গে কত ওজন তুলতে পারেন বা পায়ে কতটুকু চাপ নিতে পারবেন এসব আগেই জেনে নিন।

নমনীয়
বিভিন্ন মেশিনে ব্যায়াম করতে দেহের অঙ্গগুলো নমনীয় হওয়া প্রয়োজন। প্রশিক্ষক কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে শরীরের নমনীয়তা দেখে ধীরে ধীরে চাপ দেয়ার মাত্রা বাড়াবেন। এজন্য এটা জেনে নিয়েই জিম শুরু করুন।

বিএমআই
বডি মাস ইনডেক্স বা বিএমআই জানতে হবে। এটি শরীরের আদর্শ ওজন নির্ণয়ের একটি গাণিতিক পদ্ধতি। দেহের ওজন ও উচ্চতার হিসেব করে বিএমআই জানা যায়।

কাউন্সিলিং
বাড়ির পাশে একটা জিম হয়েছে, গিয়ে ভর্তি হলেন। এক সপ্তাহ খুব ব্যায়াম করে তারপর আর যাওয়াই হলো না। এমন মানুষের সংখ্যা কিন্তু কম নয়। কারণ আমরা খুব দ্রুত ফল আশা করি। মনে করি তিন দিনে ব্যায়াম করেই ১০ কেজি ওজন কমানো যাবে। এজন্য একজন কাউন্সিলরের পরামর্শ নিন। তিনি বুঝিয়ে বললে আপনি অনেক বেশি মোটিভেটেড হবেন।

সবশেষে ডাক্তার আর একজন পুষ্টিবিদের সঙ্গে আপনার সার্বিক শরীরিক অবস্থা, যেমন যদি কখনো কোনো অপারেশন হয়ে থাকে বা অ্যাজমা থাকে সব জানিয়ে ব্যায়াম এবং ডায়েট প্ল্যান করে নিন।

এবার সব প্রস্তুতি শেষ। জিম শুরু করুন…